আধারাধিকরণ: আধারাধিকরণ ৩ ভাগে বিভক্ত। যথাঃ
ক. ঐকদেশিক আধারাধিকরণ
খ. অভিব্যাপক আধারাধিকরণ
গ. বৈষয়িক আধারাধিকরণ
ঐকদেশিক আধারাধিকরণ: বিশাল স্থানের যে কোনো অংশে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলে।
যেমন: পুকুরে মাছ আছে। (পুকুরের যেকোনো স্থানে)
বনে বাঘ আছে। (বনের যেকোনো এক অংশে)
আকাশে চাঁদ উঠেছে। (আকাশের কোনো এক অংশে)
সামীপ্য অর্থেও ঐকদেশিক অধিকরণ হয়। যেমন:
ঘাটে নৌকা বাঁধা আছে (ঘাটের কাছে)।
‘দুয়ারে দাঁড়ায়ে প্রার্থী।’
ভিক্ষা দেহ তারে (দুয়ারের কাছে)।
রাজার দুয়ারে হাতি বাঁধা।
অভিব্যাপক আধারাধিকরণ: উদ্দিষ্ট বস্তু যদি সমগ্র আধার ব্যাপ্ত করে বিরাজমান থাকে, তবে তাকে অভিব্যাপক আধারাধিকরণ বলে। যেমন:
নদীতে পানি আছে। (নদীর সমস্ত অংশ ব্যাপ্ত করে)
তিলে তৈল আছে। (তিলের সারা অংশব্যাপী)
বৈষয়িক আধারাধিকরণ: বিষয় বিশেষে বা কোনো বিশেষ গুণে কারো কোনো দক্ষতা বা ক্ষমতা থাকলে সেখানে বৈষয়িক আধারাধিকরণ হয়। যেমন:
সাদিয়া ইসলাম রিয়া ব্যাকরণে পণ্ডিত, কিন্তু সাহিত্যে কাঁচা।
আমাদের সেনারা সাহসে দুর্জয়, যুদ্ধে অপরাজেয়।